বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আশপাশেই পৃথিবীর মতো গ্রহ
undefined
সমকাল ডেস্ক
পৃথিবীর আশপাশেই ঢিল ছোড়া দূরত্বে রয়েছে বসবাস উপযোগী আরও অনেক গ্রহ। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এসব গ্রহের কোনো কোনোটিতে রয়েছে পৃথিবীর চেয়ে আরও পুরনো, আরও বিকশিত জীবনের বসবাস। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও জিনিউজ অনলাইনের। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া তথ্যাদি ব্যবহার করে হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর
অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের (সিএফএ) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, আমাদের ছায়াপথ মিল্কিওয়েতে পৃথিবীর কাছাকাছি আকারের লাল রঙা অনেক ক্ষুদ্র নক্ষত্র রয়েছে। 


এর মধ্যে ৬ শতাংশ নক্ষত্রের পৃথিবীর কাছাকাছি আকৃতির এবং প্রাণের বসবাস উপযোগী গ্রহ থাকতে পারে। আর এগুলো রয়েছে আমাদের ঢিল ছোড়া দূরত্বেই, মাত্র ১৩ আলোকবর্ষ দূরে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানী দলের অন্যতম ড. কোর্টনি ড্রেজিং বলেন, আমরা ভাবতাম পৃথিবীর মতো গ্রহ পেতে অসীম আকাশ চষে বেড়াতে হবে। কিন্তু এখন বুঝতে পারছি, আমাদের পিঠের কাছেই রয়েছে অন্য পৃথিবী। কেবল তা চেনার অপেক্ষামাত্র।
সিএফএতে এক সংবাদ সম্মেলনে কোর্টনি বলেন, লাল ক্ষুদ্র নক্ষত্রগুলো ছোট, ঠাণ্ডা আর সূর্যের চেয়ে অস্পষ্ট। নক্ষত্রগুলোর গড় আকার সূর্যের তিন ভাগের এক ভাগ এবং তেজোদ্দীপ্ততায় হাজার ভাগের এক ভাগ। পৃথিবী থেকে এগুলোকে খালি চোখে দেখা যায় না। আবছা হওয়া সত্ত্বেও এগুলোর পৃথিবীর মতো বসবাসের উপযোগী গ্রহ রয়েছে।
এই নারী জ্যোতির্বিজ্ঞানী আরও জানান, মিল্কিওয়েতে প্রতি চারটি নক্ষত্রের মধ্যে তিনটিই ক্ষুদ্র। এদের সংখ্যা কমপক্ষে ৭৫ বিলিয়ন। কেপলার ক্যাটালগ ঘেঁটে অবশ্য তারা এ পর্যন্ত ১ লাখ ৫৮ হাজার ক্ষুদ্র নক্ষত্রের সন্ধান পেয়েছেন। এরমধ্যে ৬০ ভাগ নক্ষত্রের নেপচুনের চেয়ে ছোট গ্রহ রয়েছে।
শুক্রবার | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন