কঠিন বরফতলে প্রাণের সন্ধান!
সমকাল ডেস্ক
অ্যান্টার্কটিকার কঠিন বরফতলে প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন
বিজ্ঞানীরা। তবে বরফস্তরের অর্ধমাইল গভীরে কোন ধরনের অণুজীব বা প্রাণীর বাস তা এখনও চিহ্নিত করতে পারেননি তারা। এ নিয়ে বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। খবর ডেইলি মেইলের। অ্যান্টার্কটিকায় মার্কিন নিয়ন্ত্রণাধীন ম্যাকমার্ডো স্টেশন থেকে প্রায় এক হাজার মাইল অভ্যন্তরে বরফের তলদেশে স্বল্প প্রবহমান লেক হিলানের ওপর অবস্থান নেন একদল
অভিযাত্রী বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ার। হিলান বরফ খনন গবেষণা প্রকল্পের (ডবি্লউআইএসএসএআরডি) আওতায় অভিযাত্রী দলটি এক সপ্তাহের চেষ্টায় ড্রিল মেশিন দিয়ে ২৬০০ ফুট গভীর পর্যন্ত সরু গর্ত খুঁড়তে সক্ষম হন এবং এ গর্ত দিয়ে শক্ত তারের মাথায় প্লাস্টিক বোতল প্রবেশ করিয়ে বরফের নিচে প্রবহমান পানি সংগ্রহ করেন।
অভিযাত্রী দলের সঙ্গী ডিসকভার ম্যাগাজিনের বিজ্ঞানবিষয়ক সাংবাদিক ডগলাস ফক্স তার পাঠানো প্রতিবেদনে জানান, তাৎক্ষণিক মোবাইল ল্যাবে নিয়ে হিলান লেকের পানি পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। পানিতে ডিএনএ স্পর্শকাতর রঞ্জক পদার্থ মিশিয়ে দেখা যায় তাতে সবুজ রঙ ধারণ করা ক্ষুদ্র অণুজীব কোষ বিদ্যমান। তবে গবেষকরা এখনও নিশ্চিত নন, ওই কোষ কোন ধরনের অণুজীবের এবং তা পৃথিবীতে বিদ্যমান কি-না।
অভিযাত্রী দলের সদস্য মার্ক স্কিডমোর জানান, হিলান লেকের হিমবাহ যখন গলতে থাকে, তাতে বুদ্বুদ তৈরি হয় এবং এতে সামান্য অক্সিজেন পেয়ে থাকে বরফের ২ হাজার ৬০০ ফুট নিচের বাসিন্দারা। এই অণুজীবের পরিচয় জানতে আরও মাসখানেক অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
অ্যান্টার্কটিকার কঠিন বরফতলে প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন
বিজ্ঞানীরা। তবে বরফস্তরের অর্ধমাইল গভীরে কোন ধরনের অণুজীব বা প্রাণীর বাস তা এখনও চিহ্নিত করতে পারেননি তারা। এ নিয়ে বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। খবর ডেইলি মেইলের। অ্যান্টার্কটিকায় মার্কিন নিয়ন্ত্রণাধীন ম্যাকমার্ডো স্টেশন থেকে প্রায় এক হাজার মাইল অভ্যন্তরে বরফের তলদেশে স্বল্প প্রবহমান লেক হিলানের ওপর অবস্থান নেন একদল
অভিযাত্রী বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ার। হিলান বরফ খনন গবেষণা প্রকল্পের (ডবি্লউআইএসএসএআরডি) আওতায় অভিযাত্রী দলটি এক সপ্তাহের চেষ্টায় ড্রিল মেশিন দিয়ে ২৬০০ ফুট গভীর পর্যন্ত সরু গর্ত খুঁড়তে সক্ষম হন এবং এ গর্ত দিয়ে শক্ত তারের মাথায় প্লাস্টিক বোতল প্রবেশ করিয়ে বরফের নিচে প্রবহমান পানি সংগ্রহ করেন।
অভিযাত্রী দলের সঙ্গী ডিসকভার ম্যাগাজিনের বিজ্ঞানবিষয়ক সাংবাদিক ডগলাস ফক্স তার পাঠানো প্রতিবেদনে জানান, তাৎক্ষণিক মোবাইল ল্যাবে নিয়ে হিলান লেকের পানি পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। পানিতে ডিএনএ স্পর্শকাতর রঞ্জক পদার্থ মিশিয়ে দেখা যায় তাতে সবুজ রঙ ধারণ করা ক্ষুদ্র অণুজীব কোষ বিদ্যমান। তবে গবেষকরা এখনও নিশ্চিত নন, ওই কোষ কোন ধরনের অণুজীবের এবং তা পৃথিবীতে বিদ্যমান কি-না।
অভিযাত্রী দলের সদস্য মার্ক স্কিডমোর জানান, হিলান লেকের হিমবাহ যখন গলতে থাকে, তাতে বুদ্বুদ তৈরি হয় এবং এতে সামান্য অক্সিজেন পেয়ে থাকে বরফের ২ হাজার ৬০০ ফুট নিচের বাসিন্দারা। এই অণুজীবের পরিচয় জানতে আরও মাসখানেক অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন