বুধবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৩

মানুষ যা করতে-লালচে চুলের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা


মানুষ যা করতে পারে-ধারাবাহিক

লালচে চুলের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা

প্রথম আলো ডেস্ক | তারিখ: ৩০-০১-২০১৩




অনাগত সন্তানের চুলের রং লালচে হলুদ (জিনজার) হবে কি না, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে কৌতূহলী দম্পতিরা তা সহজেই জানতে পারবেন। যুক্তরাজ্যের রাজধানী শহর লন্ডনে আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় এক প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের ওপর এ পরীক্ষা চালাবেন বিজ্ঞানীরা।
এমসিওয়ানআর নামের একটি জিনের উপস্থিতির কারণে মানুষের চুল জিনজার রঙের হয়। ব্যক্তির বংশগতির বৈশিষ্ট্য ধারণকারী জিনের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তাঁর মুখের লালা পরীক্ষা করা হবে। জিনজার জিন (এমসিওয়ানআর) শনাক্তকরণের এই পরীক্ষায় মানুষের পূর্বপুরুষও শনাক্ত করা যায়।
জিনজার জিনটি ডিএনএতে প্রচ্ছন্নভাবে উপস্থিত থাকে এবং পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়। মা ও বাবা উভয়ে এই জিন বহন করলে তাঁদের চার সন্তানের মধ্যে কেবল একজনের চুলের রং লাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ ছাড়া ওই দম্পতির সন্তানদের দুজনের একজন জিনটি বহন করে। ওই দম্পতির কেবল একজনের ডিএনএতে জিনজার জিন থাকলে সন্তানের চুল লাল হবে না, কিন্তু ওই বৈশিষ্ট্য আংশিকভাবে পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হবে। জিনবিজ্ঞানী জিম উইলসন বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জিনজার জিন সঞ্চারিত হয়ে থাকে। তাই মা ও বাবার মধ্যে কারও চুলের রং জিনজার না হলেও লাল চুল নিয়ে তাঁদের সন্তান জন্ম নিতেও পারে।
লন্ডন অলিম্পিয়া নামের প্রদর্শনীকেন্দ্রে দর্শনার্থীরা ‘হু ডু ইউ থিংক ইউ আর?’ নামের অনুষ্ঠানে ওই পরীক্ষার সুযোগ পাবেন। ব্রিটেনে প্রতি ১০ জনে চারজনের জিনে লালচুলো সন্তান জন্মদানের ‘বিস্ময়কর’ বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। টেলিগ্রাফ।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-01-30/news/325133



ডলফিন ও কুমিরের সংকর

তারিখ: ৩০-০১-২০১৩

শিল্পীর আঁকা ডলফিন ও কুমিরের সংকর
১০০ বছরের বেশি আগে আবিষ্কৃত একটি জীবাশ্মকে (ফসিল) ডলফিন ও কুমিরের সংকর প্রাণীর দেহাবশেষ হিসেবে সম্প্রতি শনাক্ত করা হয়েছে। নতুন প্রজাতিটির নাম দেওয়া হয়েছে টাইরানোনেশাস লাইথ্রোডেকটিকোস।
যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত জার্নাল অব সিস্টেম্যাটিক প্যালেওনটোলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, জলচর এই শিকারি প্রাণী ১৬ কোটি ৩০ লাখ বছর আগে সাগরে বিচরণ করত। ডলফিনের মতো বৈশিষ্ট্যের একটি প্রাচীন কুমির গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
শিকারের সুবিধার্থে প্রাণীটির রয়েছে চোখা মুখ, ধারালো দাঁত ও বিরাট চোয়াল।
যুক্তরাজ্যের পিটারবরা এলাকা থেকে বিংশ শতকের প্রথম দশকের শুরুর দিকে ফসিলটি উদ্ধার করা হয়। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের হান্টেরিয়ান মিউজিয়ামে ফসিলটি বর্তমানে সংরক্ষিত রয়েছে। দেশটির এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মার্ক ইয়ং বলেন, শতবর্ষেরও বেশি দিন পরে প্রজাতিটি শনাক্তকরণের বিষয়টি সত্যিই আনন্দের। গার্ডিয়ান।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন