অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমায় বিয়ে
সমকাল ডেস্ক
বিয়ের বয়স হয়েছে কিংবা পেরিয়ে যাচ্ছে, তারপরও বিয়ে করছেন না! টানতে চাচ্ছেন না ঘরসংসারের ঘানি। তাহলে কিন্তু সর্বনাশ! অকালমৃত্যুর থাবা ঠিক আপনার মাথার ওপর। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্থায়ী জীবনসঙ্গী গ্রহণ বা বিয়ে না করা অকালমৃত্যুর ঝুঁকি অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ বিয়ে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। খবর দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের। যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের
চিকিৎসক ইলেন সিজেলার ও তার সহকর্মীরা মধ্যবয়সে মৃত্যু অর্থাৎ অকালমৃত্যুর ক্ষেত্রে বিয়ের ইতিহাস বা বিয়ের সময়সীমা কতটা প্রভাব ফেলে তা নিয়ে গবেষণা করেন। একই সঙ্গে তারা অকালমৃত্যুর ক্ষেত্রে বিয়ে-পূর্ব ব্যক্তিত্বের ভূমিকা এবং স্বাস্থ্য পরিচর্যার পরিমাণ খতিয়ে দেখেন।
গবেষকরা এ কাজে ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনা অ্যালামনাই হার্ট স্টাডিতে অংশ নেওয়া ১৯৪০ সালে জন্মগ্রহণকারী ৪ হাজার ৮০২ নারী-পুরুষের স্বাস্থ্যতথ্য ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে দেখেন।
গবেষকরা মধ্যবয়সে বিবাহিত এবং অবিবাহিত পরিস্থিতিতে ব্যক্তিত্বের নিয়ন্ত্রণ, আর্থসামাজিক অবস্থা, স্বাস্থ্য পরিচর্যাসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ও পরিবর্তন বিশেষভাবে খতিয়ে দেখেন।
অ্যানাল অব বিহেভিয়োরাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে বলা হয়, গবেষকরা দেখতে পান, মধ্যবয়সে জীবনসঙ্গী থাকাটা অকালমৃত্যু অনেকাংশে রোধ করে দেয়। যারা একেবারেই বিয়ে করেননি তাদের অকালমৃত্যুর ঝুঁকি, বিয়ে করা নারী-পুরুষের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি। একা থাকা কিংবা সঙ্গী হারিয়ে আবার কাউকে গ্রহণ না করাও মধ্যবয়সে মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে মৃত্যু না হলেও বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত টিকে থাকার ক্ষেত্রে জীবনীশক্তি হ্রাস করে দেয়।
| ১২ জানুয়ারি ২০১৩
বিয়ের বয়স হয়েছে কিংবা পেরিয়ে যাচ্ছে, তারপরও বিয়ে করছেন না! টানতে চাচ্ছেন না ঘরসংসারের ঘানি। তাহলে কিন্তু সর্বনাশ! অকালমৃত্যুর থাবা ঠিক আপনার মাথার ওপর। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্থায়ী জীবনসঙ্গী গ্রহণ বা বিয়ে না করা অকালমৃত্যুর ঝুঁকি অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ বিয়ে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। খবর দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের। যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের
চিকিৎসক ইলেন সিজেলার ও তার সহকর্মীরা মধ্যবয়সে মৃত্যু অর্থাৎ অকালমৃত্যুর ক্ষেত্রে বিয়ের ইতিহাস বা বিয়ের সময়সীমা কতটা প্রভাব ফেলে তা নিয়ে গবেষণা করেন। একই সঙ্গে তারা অকালমৃত্যুর ক্ষেত্রে বিয়ে-পূর্ব ব্যক্তিত্বের ভূমিকা এবং স্বাস্থ্য পরিচর্যার পরিমাণ খতিয়ে দেখেন।
গবেষকরা এ কাজে ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনা অ্যালামনাই হার্ট স্টাডিতে অংশ নেওয়া ১৯৪০ সালে জন্মগ্রহণকারী ৪ হাজার ৮০২ নারী-পুরুষের স্বাস্থ্যতথ্য ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে দেখেন।
গবেষকরা মধ্যবয়সে বিবাহিত এবং অবিবাহিত পরিস্থিতিতে ব্যক্তিত্বের নিয়ন্ত্রণ, আর্থসামাজিক অবস্থা, স্বাস্থ্য পরিচর্যাসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ও পরিবর্তন বিশেষভাবে খতিয়ে দেখেন।
অ্যানাল অব বিহেভিয়োরাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে বলা হয়, গবেষকরা দেখতে পান, মধ্যবয়সে জীবনসঙ্গী থাকাটা অকালমৃত্যু অনেকাংশে রোধ করে দেয়। যারা একেবারেই বিয়ে করেননি তাদের অকালমৃত্যুর ঝুঁকি, বিয়ে করা নারী-পুরুষের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি। একা থাকা কিংবা সঙ্গী হারিয়ে আবার কাউকে গ্রহণ না করাও মধ্যবয়সে মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে মৃত্যু না হলেও বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত টিকে থাকার ক্ষেত্রে জীবনীশক্তি হ্রাস করে দেয়।
| ১২ জানুয়ারি ২০১৩
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন